কাঁচা মরিচের উপকারিতা ও অপকারিতা
প্রিয় পাঠক,আপনারা যারা কাঁচা মরিচের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন কিন্তু বিভিন্ন ওয়েবসাইট খোঁজাখুঁজি করার পরেও জানতে পারছেন না তাদের জন্য আজকের আর্টিকেল।আজকের এই আর্টিকেলে কাঁচামরিচ সম্পর্কে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব,আশা করি আজকের আর্টিকেলটা পড়লে উপকৃত হবেন।
আজকের এই আর্টিকেলে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে কাঁচা মরিচের উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে।কাঁচা মরিচ এ কি কি উপকারিতা এবং কি কি অপকারিতা আছে,এ সম্পর্কে জানতে হলে আজকের এই আর্টিকেলটি পুরোটাই মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।
ভূমিকা
মুখরুচক মজাদার খাবার তৈরীর অন্যতম উপাদান কাঁচা মরিচ।বাঙালির রশ্মি ঘরে খাবারের স্বাদ এবং ঝাল বাড়াতে মসলা জাতীয় উপকরণ হিসেবে প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হয় এই কাঁচা মরিচ।গবেষণা বলছে এ বি সি এর মত ভিটামিন ছাড়াও কাঁচা মরিচা আছে ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম এবং আয়রনের মত খনিজ উপাদান।
কাঁচা মরিচ সাধারণত আমরা আমাদের খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করে থাকি।কিন্তু এই কাঁচা মরিচের ভিতর রয়েছে বিশেষ এক উপাদান।সেটা যে ক্যাপসাইকিন যা মরিচের ঝাল বাড়াই।এই ক্যাপসাইকিনে আছে ভিটামিন এ ভিটামিন ছি ভিটামিন বি সিক্স আয়রন পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট।
আরো পরুনঃকাঁচা মরিচের খাওয়ার ৫ উপকারিতা
অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁচামরিচ আপনার কিডনির বারোটা বাজাতে পারে।আবার ভুগতে পারেন ডায়রিয়াতেও।এছাড়া কাঁচা লঙ্কা আরও অনেক বিপদেরও কারণ হতে পারে।প্রতিদিনের রান্নায় বহুল পরিচিত এবং ব্যবহৃত একটি খাদ্য উপাদান হচ্ছে কাঁচা মরিচ।প্রতিদিন খাওয়া হলেও এর সঠিক উপকারিতা সম্পর্কে আমরা কয়জনে জানি।চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁচা মরিচের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।
- দিনে কয়টা কাঁচা মরিচ খাওয়া উচিত?
- কাঁচা মরিচ বেশি খেলে কি ক্ষতি হয়?
- কাঁচা মরিচ কি ভিটামিন
- কাঁচা মরিচের উপকারিতা ও অপকারিতা
- কাঁচা মরিচের পুষ্টিগুণ
দিনে কয়টা কাঁচা মরিচ খাওয়া উচিত?
কাঁচা মরিচ সাধারণত আমরা আমাদের খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করে থাকি।কিন্তু এই কাঁচা মরিচের ভিতর রয়েছে বিশেষ এক উপাদান।সেটা যে ক্যাপসাইকিন যা মরিচের ঝাল বাড়াই।এই ক্যাপসাইকিনে আছে ভিটামিন এ ভিটামিন ছি ভিটামিন বি সিক্স আয়রন পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট।
এই উপাদানগুলো মুখে লালা আনে এই কারণে এবং কাঁচা মরিচ খেতে ভালো লাগে।এছাড়াও কাঁচা মরিচ তর্ক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারিতা।গরমকালে কাঁচামরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।প্রতিদিন একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জবার ধাঁধার ঝুঁকি কমে যায়।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিন্ডের বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
কাঁচা মরিচ মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালোরি পড়াতে সাহায্য।কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিবার রয়েছে অ্যান্টিঅক্সাইড বিটা ক্যারোটিন যা কার্ড ভাঁজ করার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।কাঁচা মরিচ খেলে রক্তের কোলেস্টের মাত্রা বাড়ায়।কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ জা হার দাত ও বিউকাস ব্রেন কে ভালো রাখতে সহায়তা করে।
তাই আমাদের অন্তত প্রতিদিন দুটো করে হলেও কাঁচা মরিচ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।তাহলে বুঝতে পারলেন কাঁচা মরিচ আমাদের জন্য কতটা উপকারী।
কাঁচা মরিচ বেশি খেলে কি ক্ষতি হয়?
কাঁচা লঙ্কা খেলে আপনার কি কি ক্ষতি হবে।অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁচামরিচ আপনার কিডনির বারোটা বাজাতে পারে।আবার ভুগতে পারেন ডায়রিয়াতেও।এছাড়া কাঁচা লঙ্কা আরও অনেক বিপদেরও কারণ হতে পারে।আসুন জেনে কাঁচালঙ্কার সার্টিফিকেটগুলো বা ক্ষতিকর দিকগুলো।কাঁচা লঙ্কার ক্ষতিকর দিক।
(১)সাধারণভাবে কাঁচা লঙ্কা খেলে আপনার কোন সমস্যা হবে না।দীর্ঘদিন ধরে বেশি বেশি করে কাঁচা লঙ্কা খেলে আপনার কিডনি ও লিভার ড্যামেজ হতে পারে।এছাড়া ডায়রিয়া ও দেখা যেতে পারে।তাই খুব বেশি কাঁচা লঙ্কা না খাওয়াই ভালো।
(২)আপনার শিশু যদি বুকের দুধ খায়,তখন কাঁচালঙ্কা একটু বেশি খেলে আপনার শিশুর ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
(৩)ব্লিডিং বিজঅর্ডার থাকলে কাঁচা লঙ্কা খেলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে।
(৪)বেশি কাঁচা লঙ্কা খেলে আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।যাদের আগে থেকে উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে।
(৫)কাঁচা লঙ্কা খেলে আপনার অপারেশনের সময় ব্লিডিং বাড়তে পারে।তাই অপারেশনের আগে কাঁচা লঙ্কা না খাওয়াই ভালো।উপরের পাঁচটি অবস্থার মধ্যে যেকোনো একটি আপনার থাকলে বেশি কাঁচা লঙ্কা খাওয়ার আগে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেন।
কাঁচা মরিচ কি ভিটামিন
প্রতিদিনের রান্নায় বহুল পরিচিত এবং ব্যবহৃত একটি খাদ্য উপাদান হচ্ছে কাঁচা মরিচ।প্রতিদিন খাওয়া হলেও এর সঠিক উপকারিতা সম্পর্কে আমরা কয়জনে জানি।চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁচা মরিচের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।ক্যান্সার প্রতিরোধের সাহায্য করে।কাঁচামরিযে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।যার শরীরের দ্বার রক্ষা হিসাবে কাজ করে থাকে।
এই উপাদানটি শরীরের ফ্রি রাইডিকেল ড্যামেজের বিরুদ্ধে কাজ করে প্রাকৃতিকভাবে রোগাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে।একই সাথে কাঁচামরিচ বয়স বাড়ার প্রক্রিয়াকে ধীর গতি করে ফেলে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।কাঁচা মরিচের রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি।খেয়াল করে দেখবেন কাঁচা মরিচ খাওয়ার ফলে অনেক সময় বন্ধ না খুলে যায়।
কাঁচা মরিচে থাকা ওই ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খুব দ্রুত সাহায্য করে।ত্বকের জন্য কাঁচামরিচ খুব উপকারী।কাঁচা মরিচ যে ভিটামিন সি এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই।যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন করতে সাহায্য করে থাকে বলে ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।জিরো ক্যালোরি,খুবই মজার ব্যাপার হচ্ছে যে কাঁচা মরিচের কোন ক্যালরি নেই।
অর্থাৎ একদম শূন্যক ক্যালরিযুক্ত খাবার হচ্ছে কাঁচা মরিচ।আরো দারুন তথ্য হলো কাঁচা মরিচ খাওয়ার পরে শরীরের মেটাবলিজম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।তাই আপনি যদি ডায়েটে থাকেন তবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বেশি করে কাঁচা মরিচ যোগ করার চেষ্টা করুন।রক্তে চীনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য কাঁচামরিচ অন্যতম একটি প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান।কাঁচা মরিচ রক্ত চীনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।তবে এমনটা মনে করবে না যে অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরে কাঁচামরিচ খেলে সাথে সাথে কাজ করবে।খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।কাঁচা মরিচে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার।
কোষ্ঠকাঠিনের সমস্যা দেখা দিলে সেক্ষেত্রে কাঁচামরিচ খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব।কাঁচা মরিচ খাওয়া মানে মন মেজাজ ভালো।ঝাল কোন খাবার বিশেষ করে কাঁচামরিচ খাওয়ার পরে মস্তিষ্ক থেকে এন্ডর ফিনন্দস নিষ্কৃত হয়।যা মন মেজাজ ভালো এবং চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে।যার ফলে কাঁচামরিচ খাওয়ার পরে আপনি ফুরফুরা এবং আনন্দ লাভ করতে পারবেন।
এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।ত্বকের ইনফেকশনের সমস্যায় কাজ করে থাকে কাঁচা মরিচ।কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে,ত্বকের যে কোন স্থানে ইনফেকশন হওয়া থেকে এটি প্রতিরোধ করে রাখে।রক্তপাত বন্ধে সাহায্য করে।পূর্বে বলা হয়েছে যে কাঁচা মরিচের রয়েছে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন সি।
একই সাথে কাঁচামরিচের রয়েছে আরও একটি ভিটামিন।সেটি হল ভিটামিন কে।আয়রন পূর্ণ কাঁচামরিচ।যাদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে তাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন বেশি করে কাঁচামরিচ যোগ করা উচিত ।
কাঁচা মরিচের উপকারিতা ও অপকারিতা
আজকের এই আর্টিকেলে জানতে পারবেন কাঁচা মরিচ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা।যারা ঝাল খেতে পছন্দ করেন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হলো কাঁচা মরিচ।কাঁচা মরিচ আপনার খাবারের বাটি স্বাদ নিয়ে আসে। যারা ঝাল রসিক মানুষ তারা খাবারে কাঁচামরিচ খেয়ে থাকেন।কাঁচা মরিচা রয়েছে বেশ কিছু উপকারিতা ও কিছু অপকারিতা ও রয়েছে।তাহলে জেনে নেওয়া যাক
কাঁচা মরিচ খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি?
(১) অনিদ্রা থেকে মুক্তি
কাঁচা মরিচ খেলে ইন সুমিনিয়া এবং অনিদ্রা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।এর মধ্যে থাকা শক্তিশালী ক্যালসিয়াম ব্রেনকে শান্তি প্রদান করে।যার ফলে ভালো ঘুম হয়।
(২)ডায়াবেটিস দূরে রাখে
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচামরিচ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।কারণ কাঁচা মরিচ খেলে তার রক্তের শতকরা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।এবং ডায়াবেটিস থেকে দূরে রাখেন।
(৩)রক্ত পরিশুদ্ধ করে
কাঁচামরিচ রক্ত পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে।কাঁচামরিচ মৌসুম অনুযায়ী শেষ হয।তবে শুকনো করে অনেকদিন সংরক্ষণ করে রাখা যায়।রক্ত পরিশুদ্ধ রাখার জন্য শুকনো মরিচ খাওয়া উচিত।শুকনো মরিচের মধ্যে পাওয়া যায় শাপনিন এলকোয়েড এবং ট্রাইটোনয়েড রক্ত পরিষদের সাহায্য করে।
(৪)বয়স ধরে রাখে
যারা নিয়মিত কাঁচামরিচ খান তাদের ত্বক থাকে বলি রেখা মুক্ত।এটি বয়স ধরে রাখতে যাদুকরী একটি উপাদান।তাই যারা বয়সের ছাপ কমাতে চান তারা আজ থেকেই কাঁচামরিচ খাওয়া শুরু করুন।
(৫)হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
কাঁচা মরিচের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,হৃদরোগের সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রে কাঁচামরিচের কার্যকারিতা অনেক।শরীরের প্রদাহ কমানোর জন্য প্রয়োজন হাইপোকেমিক্যাল।যা ভরাই রয়েছে কাঁচা মরিচে।এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।এবং কাঁচামরিচ হার্টের অন্যান্য অসুখ হওয়ার থেকেও আমাদের রক্ষা করে।
(৬) হার মজবুত করতে
মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে হারের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা যায়।হাড়ের গঠন মজবুত রাখার জন্য ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন।আইরন ক্যালসিয়াম ফসফরাস এবং অন্যান্য অনেক ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে সবুজ মরিচে।এটা হারকে শক্ত ও মজবুত করতে ভূমিকা রাখে।
আরো পরুনঃড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা
(৭)রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে
কাঁচা মরিচ এ হয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদান যেমন আয়রন ও ফসফরাস।আইরন এবং ফসফরাস শরীরের রক্ত উৎপাদন এবং রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করে।
(৮)ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
কাঁচা মরিচের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।জা টিউমারের উপর সাইটোকশিট পরমা বিস্তার করে।এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।যার ফলে শরীরের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
(৯) দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে
কাঁচামরিচ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি ও বৃদ্ধি করে থাকে।তাই নিয়মিত কাঁচামরিচ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং চোখের দৃষ্টি বৃদ্ধি করুন।
(১০)রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
কাঁচামরিচা রয়েছে ভিটামিন সি বিটা ক্যারোটিন এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট।এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে কাঁচামরিচ খান।
কাঁচা মরিচ খাওয়ার অপকারিতা কি কি?
(১)অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ খেলে হজম শক্তি নষ্ট হয়ে যায।এবং ভয়ংকর রকমের রোগ দেখা দেয়।যা সরানো প্রায় অসম্ভব।
(২)খুব বেশি মরিচ খাওয়া শরীরে তাপমাত্রা এবং অস্বাভাবিক পেশী টান বাড়ায়।
(৩) অতিরিক্ত কাঁচামরিচ খেলে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়।এবং শুকনো মরিচের গুড়া বেশি পরিমাণে খেলে চোখ হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(৪)অতিরিক্ত পরিমাণে সবুজ মরিচ খাওয়া জ্যোতিক ও জ্যোতিকে উত্তপ্ত করে।
কাঁচা মরিচের পুষ্টিগুণ
মুখরুচক মজাদার খাবার তৈরীর অন্যতম উপাদান কাঁচা মরিচ।বাঙালির রশ্মি ঘরে খাবারের স্বাদ এবং ঝাল বাড়াতে মসলা জাতীয় উপকরণ হিসেবে প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হয় এই কাঁচা মরিচ।গবেষণা বলছে এ বি সি এর মত ভিটামিন ছাড়াও কাঁচা মরিচা আছে ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম এবং আয়রনের মত খনিজ উপাদান।
আর পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন মরিচের ভিটামিন এ হাড় দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতেও কাজ করে।ঝালের ভয় লঙ্কা দেখলে আঁতকে ওঠেন ভয় ছেড়ে নিয়মিত খান ঝাল লঙ্কা।বলছেন স্বয়ং পুষ্টি বিজ্ঞানীরা।তাদের দাবি ক্যান্সার থেকে ডায়াবেটিস ব্যথা থেকে জীবাণু সংক্রমণ এক কামড়েই ম্যাজিক অব্যর্থ লঙ্কার গুণ।
এই কারণেই ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ অর্থাৎ শ্রীলংকারের সবজির কদর এখন সারা বিশ্বে।ভারতবর্ষ ছাড়াও ব্যবহার আছে দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেসে।যে কারণে গবেষণা বলছে কাঁচা মরিচে আছে ডাইটারি ফাইবার থাইমিন রিবোক্লাবন নিয়াসিন আয়রন ম্যাঙ্গানিজ ফসফরাস পটাশিয়াম কপার ও ম্যাগনেসিয়াম।
বিজ্ঞানীরা বলছেন কাঁচা মরিচের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ক্যাসেসইন।যা দেখে নিউরো পেপটাইড কে দমন করে,স্নায়ুর ব্যথা সোরিয়াসিস ও অস্ট্রিও আর্থারাইটিস নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে।এছাড়া কাঁচামরিচ হার দাঁত ও মিউকাসকে ভালো রাখতে কাজ করছে।ভিটামিন সি কাজ করছে মাড়ি ও চুলের সুরক্ষায়।আর টাইগ্রীছারাইট রক্ত জমাতে বাড়তে বাধা দেয়।
আরো পরুনঃগর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফলের উপকারিতা
বাধা দেয় রক্ত জমাতে।ফলে অথরের ক্লোরোসিস ও হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমে বহুল অংশে।এছাড়া মরিচে থাকা ক্যাসেস ইন মিউকাতের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।ফলে সাইলাস ইনফেকশনের কষ্ট কমাতেও সময় লাগে না।তবে রান্নার চেয়ে কাঁচা অবস্থায় মরিচ খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিজ্ঞানীরা।কারণ ৩৭০ ডিগ্রির চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় কাঁচা মরিচ সেদ্ধ করলে কিংবা ভেজে খাওয়ার ফলে এফ বিদ্যমান ভিটামিন সি হয়ে যায় নষ্ট।
লেখকের মন্তব্য
প্রিয় পাঠক আজকের এই আর্টিকেলে কাঁচামর সম্পর্কে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ এবং কাঁচামরিচ বেশি মাত্রায় খেলে কি ক্ষতি হবে এ সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম।আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি পুরোটাই মনোযোগ সহকারে পড়তে পারলে অবশ্যই উপকৃত হবেন।যদি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার পরিচিত লোকদের সাথে শেয়ার করবেন।যাতে করে তারা উপকৃত হতে পারে ধন্যবাদ।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url